হাওর ও জলাভূমিইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক
তিন উপজেলার সংযোগপথ থেকে হাওরের ঋতুভেদে বদলে যাওয়া দৃশ্য দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার ভ্রমণ খাতা।
কিশোরগঞ্জ ভ্রমণে নিকলী হাওর, ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক, পাগলা মসজিদ দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
ব্রজকিশোর প্রামাণিকের বাজারকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ নামটি পরিচিত হয় বলে প্রচলিত ব্যাখ্যা রয়েছে।
১৪৫ কিমি
৩.৫–৪ ঘণ্টা
বাস: মহাখালী / সায়েদাবাদ থেকে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
ট্রেন: জেলার কোন স্টেশনে নামবেন এবং সেখান থেকে গন্তব্যের দূরত্ব দেখে চলতি ট্রেনের টিকিট কাটুন।
বাস — পরিবহন: অনন্যা, যাতায়াত। আনুমানিক ভাড়া: ৳২৫০–৩৫০।
ট্রেন — পরিবহন: কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, এগারসিন্দুর। আনুমানিক ভাড়া: ৳১৫০–৪০০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,৫০০–৩,০০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
জেলা শহরের আবাসিক হোটেলকে ভ্রমণের ভিত্তি করতে পারেন। সরকারি বাংলোতে থাকতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি আগে নিতে হবে।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে হাওরের মাছ, কিশোরগঞ্জের তালের পিঠা।

হাওর ও জলাভূমিতিন উপজেলার সংযোগপথ থেকে হাওরের ঋতুভেদে বদলে যাওয়া দৃশ্য দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যদুর্গের স্মৃতিচিহ্ন ও পুরোনো মসজিদ ঘিরে এগারসিন্দুরের ঐতিহাসিক পরিচয়।
গাইড দেখুন ↗
হাওর ও জলাভূমিজলভরা হাওর আর নৌভ্রমণ নিকলীর মূল আকর্ষণ। বিকেলের আলোয় এখানকার বিস্তৃত জলরাশি দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনানরসুন্দার পাশে এই মসজিদ কিশোরগঞ্জ শহরের একটি পরিচিত ধর্মীয় কেন্দ্র।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনাবড় ঈদজামাতের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শোলাকিয়ার নাম।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।