ধর্মীয় স্থাপনাঅক্সফোর্ড মিশন চার্চ
লাল ইটের গির্জাভবন বরিশালের খ্রিস্টীয় ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের পরিচিত স্মারক।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
বরিশাল বিভাগের বরিশাল জেলার ভ্রমণ খাতা।
বরিশাল ভ্রমণে গুঠিয়া মসজিদ (বায়তুল আমান), দুর্গাসাগর দিঘি, সাতলা শাপলা বিল দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
বরিশাল একসময় চন্দ্রদ্বীপ ও বাকেরগঞ্জ অঞ্চলের অংশ ছিল। নামের ব্যাখ্যায় লবণের গুদাম ও শালগাছ—দুই ধরনের প্রচলিত মত পাওয়া যায়।
১৬০ কিমি
৩.৫–৪ ঘণ্টা (বাস) / সারারাত (লঞ্চ)
নৌপথ: সদরঘাট থেকে বরিশাল অঞ্চলের লঞ্চের রুট ও নামার ঘাট নিশ্চিত করুন। আবহাওয়া এবং ফেরার ব্যবস্থা জেনে যাত্রা করুন।
বাস: ঢাকা থেকে পদ্মা সেতুর পথ ধরে বরিশাল যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
বিমান: বরিশাল বিমানবন্দর ব্যবহার করে এরপর সড়কপথে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। ফ্লাইটের প্রাপ্যতা ও ভাড়া বুকিংয়ের সময় যাচাই করুন।
নৌপথ — পরিবহন: সুন্দরবন, পারাবত, কীর্তনখোলা, অ্যাডভেঞ্চার। আনুমানিক ভাড়া: ডেক ৳৩০০–৪০০, কেবিন ৳১,২০০–৩,৫০০।
বাস — পরিবহন: সাকুরা, হানিফ, গ্রীন লাইন। আনুমানিক ভাড়া: নন-এসি ৳৫৫০–৭০০, এসি ৳১,০০০–১,৪০০।
বিমান — পরিবহন: বিমান, ইউএস-বাংলা। আনুমানিক ভাড়া: ৳৩,৫০০–৫,৫০০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,৫০০–৩,০০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
বরিশাল শহরের আবাসিক হোটেলকে ভ্রমণের ভিত্তি করতে পারেন।
আবাসনের খোঁজে: হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক। বুকিংয়ের আগে প্রাপ্যতা ও ভাড়া নিশ্চিত করুন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে বরিশালের আমড়া, ইলিশ, গুঠিয়ার সন্দেশ।


ধর্মীয় স্থাপনালাল ইটের গির্জাভবন বরিশালের খ্রিস্টীয় ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের পরিচিত স্মারক।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনাবায়তুল আমানের মসজিদপ্রাঙ্গণে বাগান, জলাশয় ও আধুনিক ধর্মীয় স্থাপত্য দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗
লেক ও নদীমাঝখানে দ্বীপসহ দুর্গাসাগরের বড় জলাশয় ও পাড় স্থানীয় অবকাশের গন্তব্য।
গাইড দেখুন ↗
হাওর ও জলাভূমিফুল ফোটার মৌসুমে সাতলার জলাভূমি লাল শাপলায় রঙিন হয়ে ওঠে।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।