সীমান্ত ও জনপদতিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম
তিনবিঘার সংযোগপথ দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার ভৌগোলিক ইতিহাস বুঝতে সাহায্য করে।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট জেলার ভ্রমণ খাতা।
লালমনিরহাট ভ্রমণে তিস্তা ব্যারাজ, তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম, তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ি দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
লালমনি নামে এক নারী এবং লাল রঙের পাথর বা মণি—দুই ধরনের কাহিনির সঙ্গে লালমনিরহাটের নাম যুক্ত করা হয়।
৩৪০ কিমি
৭–৮ ঘণ্টা
বাস: মহাখালী / গাবতলী থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
ট্রেন: ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলের ট্রেনে যেতে পারেন। আপনার গন্তব্যের কাছের স্টেশনে ট্রেন থামে কি না নিশ্চিত করে টিকিট কাটুন।
বাস — আনুমানিক ভাড়া: ৳৮০০–৯০০।
ট্রেন — পরিবহন: লালমনি। আনুমানিক ভাড়া: ৳৫০০–১,৪০০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,২০০–২,৫০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
তিস্তা এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবসর বিশ্রামাগারে থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে তিস্তার মাছ।
সীমান্ত ও জনপদতিনবিঘার সংযোগপথ দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার ভৌগোলিক ইতিহাস বুঝতে সাহায্য করে।
গাইড দেখুন ↗
স্থাপত্যদোয়ানী প্রান্ত থেকে তিস্তার ব্যারাজ, সেচব্যবস্থা ও নদীপ্রকৃতি দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যতুষভাণ্ডারের জমিদারবাড়ি ও ধর্মীয় স্থাপনা কালীগঞ্জের স্থানীয় ইতিহাসের স্মারক।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।