হাওর ও জলাভূমিআড়িয়াল বিল
বর্ষার জলরাশি ও শুষ্ক মৌসুমের কৃষিজমি আড়িয়াল বিলের দুই ভিন্ন রূপ।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
ঢাকা বিভাগের মুন্সীগঞ্জ জেলার ভ্রমণ খাতা।
মুন্সীগঞ্জ ভ্রমণে পদ্মা সেতু ভিউ পয়েন্ট, মাওয়া, ইদ্রাকপুর দুর্গ, সোনারং জোড়া মঠ দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
ঐতিহাসিক বিক্রমপুর অঞ্চলের এই জেলার নামের সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালী মুন্সি ও তাঁর বাজারের স্মৃতি যুক্ত বলে ধারণা করা হয়।
২৭ কিমি
১–১.৫ ঘণ্টা
বাস: গুলিস্তান থেকে মুন্সীগঞ্জ যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
নৌপথ: সদরঘাট থেকে মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের লঞ্চের রুট ও নামার ঘাট নিশ্চিত করুন। আবহাওয়া এবং ফেরার ব্যবস্থা জেনে যাত্রা করুন।
বাস — আনুমানিক ভাড়া: ৳৭০–১৫০।
নৌপথ — আনুমানিক ভাড়া: ৳৫০–১০০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳৬০০–১,৫০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
জেলা শহরের আবাসিক হোটেলকে ভ্রমণের ভিত্তি করতে পারেন। সরকারি বাংলোতে থাকতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি আগে নিতে হবে।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে মাওয়া ঘাটের ইলিশ ভাজা, বিক্রমপুরের ভাগ্যকুলের মিষ্টি।


হাওর ও জলাভূমিবর্ষার জলরাশি ও শুষ্ক মৌসুমের কৃষিজমি আড়িয়াল বিলের দুই ভিন্ন রূপ।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যইদ্রাকপুরের উঁচু বৃত্তাকার অংশ মুঘল জলদুর্গের গঠনের পরিচয় বহন করে।
গাইড দেখুন ↗
স্থাপত্যমাওয়ার নদীতীর থেকে পদ্মা সেতু ও নদীর বিস্তার দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যপাশাপাশি মঠদুটি বিক্রমপুর অঞ্চলের পুরোনো ধর্মীয় স্থাপত্যের স্মারক।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।