পাহাড় ও ঝরনাবিরিশিরি ও চীনামাটির পাহাড়
চীনামাটির রঙিন টিলা ও খনির জলাশয় দুর্গাপুরের এই এলাকার পরিচিত দৃশ্য।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোণা জেলার ভ্রমণ খাতা।
নেত্রকোণা ভ্রমণে বিরিশিরি ও চীনামাটির পাহাড়, সোমেশ্বরী নদী, রাণীখং মিশন দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
নাটেরকোনা নামে পুরোনো বাজার ও জনপদের নাম থেকে নেত্রকোনা নামটি এসেছে বলে প্রচলিত ধারণা।
১৬০ কিমি
৪–৫ ঘণ্টা
বাস: মহাখালী থেকে নেত্রকোণা যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
ট্রেন: জেলার কোন স্টেশনে নামবেন এবং সেখান থেকে গন্তব্যের দূরত্ব দেখে চলতি ট্রেনের টিকিট কাটুন।
বাস — পরিবহন: জিন্নাত, সরকার। আনুমানিক ভাড়া: ৳৪০০–৫০০।
ট্রেন — পরিবহন: হাওর এক্সপ্রেস, মহুয়া কমিউটার।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,৩০০–২,৫০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
বিরিশিরিতে স্থানীয় অতিথিশালা ও আবাসিক হোটেল আছে; সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আবাসনের জন্য আগাম যোগাযোগ করুন।
আবাসনের খোঁজে: বিরিশিরিতে ওয়াইএমসিএ ও ওয়াইডব্লিউসিএ গেস্টহাউস, কালচারাল একাডেমির রেস্ট হাউস। বুকিংয়ের আগে প্রাপ্যতা ও ভাড়া নিশ্চিত করুন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি , হাওরের মাছ।
পাহাড় ও ঝরনাচীনামাটির রঙিন টিলা ও খনির জলাশয় দুর্গাপুরের এই এলাকার পরিচিত দৃশ্য।
গাইড দেখুন ↗টিলার মিশনপ্রাঙ্গণ ও সোমেশ্বরীর পটভূমি রাণীখংয়ের পরিবেশ।
গাইড দেখুন ↗
লেক ও নদীপাহাড়ি উৎসের সোমেশ্বরী দুর্গাপুরের কাছে বালুচর ও নদীতীরের দৃশ্য তৈরি করেছে।
গাইড দেখুন ↗টংক আন্দোলনে রাশিমণি হাজংয়ের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে এই স্মৃতিসৌধ।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।