স্মৃতি ও জাদুঘরগান্ধী আশ্রম
গান্ধীর নোয়াখালী সফর ও শান্তিচেষ্টার স্মৃতি নিয়ে এই আশ্রম ও সংগ্রহশালা।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
চট্টগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী জেলার ভ্রমণ খাতা।
নোয়াখালী ভ্রমণে নিঝুম দ্বীপ, গান্ধী আশ্রম, বজরা শাহী মসজিদ দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
নোয়াখালী একসময় ভুলুয়া নামে পরিচিত ছিল। স্থানীয় উচ্চারণে নতুন খালকে ‘নোয়া খাল’ বলার সঙ্গে বর্তমান নামটির যোগ রয়েছে।
১৭০ কিমি
৪–৫ ঘণ্টা
বাস: সায়েদাবাদ থেকে নোয়াখালী যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
ট্রেন: জেলার কোন স্টেশনে নামবেন এবং সেখান থেকে গন্তব্যের দূরত্ব দেখে চলতি ট্রেনের টিকিট কাটুন।
নৌপথ: সদরঘাট থেকে নোয়াখালী অঞ্চলের লঞ্চের রুট ও নামার ঘাট নিশ্চিত করুন। আবহাওয়া এবং ফেরার ব্যবস্থা জেনে যাত্রা করুন।
বাস — পরিবহন: একুশে, হিমাচল, সুগন্ধা। আনুমানিক ভাড়া: ৳৪০০–৬০০।
ট্রেন — পরিবহন: উপকূল এক্সপ্রেস। আনুমানিক ভাড়া: ৳২৫০–৫৫০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,৫০০–৩,০০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
নিঝুম দ্বীপের নামারবাজার এলাকায় সাধারণ হোটেল ও কটেজ আছে; সুবিধাগুলো আগে নিশ্চিত করুন।
আবাসনের খোঁজে: নিঝুম দ্বীপে নিঝুম রিসোর্ট ও কটেজ। বুকিংয়ের আগে প্রাপ্যতা ও ভাড়া নিশ্চিত করুন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে নোয়াখালীর নারিকেলের নাড়ু, মহিষের দই।



স্মৃতি ও জাদুঘরগান্ধীর নোয়াখালী সফর ও শান্তিচেষ্টার স্মৃতি নিয়ে এই আশ্রম ও সংগ্রহশালা।
গাইড দেখুন ↗
সৈকত ও দ্বীপহরিণের আবাস, কেওড়াবন ও নদীমোহনার প্রকৃতি নিঝুম দ্বীপকে চেনায়।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনামুঘল আমলের গম্বুজ ও অলংকরণ বজরার মসজিদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।