ধর্মীয় স্থাপনাখেরুয়া মসজিদ
তিন গম্বুজের খেরুয়া মসজিদ বগুড়ার ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার ভ্রমণ খাতা।
বগুড়া ভ্রমণে মহাস্থানগড়, বেহুলার বাসরঘর (গোকুল মেধ), খেরুয়া মসজিদ দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
নাসিরউদ্দিন বুগরা খানের নামের সঙ্গে বগুড়ার নামকরণের যোগ রয়েছে বলে প্রচলিত মত আছে।
২০০ কিমি
৪–৫ ঘণ্টা
বাস: মহাখালী / গাবতলী থেকে বগুড়া যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
ট্রেন: জেলার কোন স্টেশনে নামবেন এবং সেখান থেকে গন্তব্যের দূরত্ব দেখে চলতি ট্রেনের টিকিট কাটুন।
বাস — পরিবহন: হানিফ, গ্রীন লাইন, এস আর, শাহ ফতেহ আলী। আনুমানিক ভাড়া: নন-এসি ৳৫০০–৬৫০, এসি ৳১,০০০–১,৩০০।
ট্রেন — পরিবহন: লালমনি, রংপুর এক্সপ্রেস।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,৫০০–৩,০০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
বগুড়া শহরের হোটেল, মোটেল বা রিসোর্ট থেকে আশপাশের ভ্রমণ সাজাতে পারেন।
আবাসনের খোঁজে: মম ইন, নাজ গার্ডেন হোটেল, পর্যটন মোটেল বগুড়া। বুকিংয়ের আগে প্রাপ্যতা ও ভাড়া নিশ্চিত করুন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে বগুড়ার দই , মহাস্থানের কটকটি।


ধর্মীয় স্থাপনাতিন গম্বুজের খেরুয়া মসজিদ বগুড়ার ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যনবাব পরিবারের স্মৃতিবাহী ভবন ও সংলগ্ন উদ্যান বগুড়ার শহুরে ঐতিহ্যের অংশ।
গাইড দেখুন ↗
প্রত্নস্থানইটের প্রাচীন স্থাপনা গোকুল মেধের সঙ্গে বেহুলা-লখিন্দরের লোকগল্প জড়িয়ে আছে।
গাইড দেখুন ↗
প্রত্নস্থানপ্রাচীন পুণ্ড্রনগরের নগরপ্রাচীর ও প্রত্নবস্তু মহাস্থানের ইতিহাস তুলে ধরে।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।