সৈকত ও দ্বীপকুয়াকাটা
কুয়াকাটার বালুকাতট থেকে দিনের শুরু ও শেষের সমুদ্রদৃশ্য দেখার সুযোগ মেলে।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার ভ্রমণ খাতা।
পটুয়াখালী ভ্রমণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, ফাতরার চর, গঙ্গামতির চর দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
লোককথায় ‘পটুয়া’ নামে পরিচিত পর্তুগিজ জলদস্যু ও তাদের চলাচলের খাল থেকে পটুয়াখালী নামের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
২৭০ কিমি
৬–৭ ঘণ্টা (কুয়াকাটা পর্যন্ত)
বাস: ঢাকা থেকে পদ্মা সেতুর পথ ধরে পটুয়াখালী যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
নৌপথ: সদরঘাট থেকে পটুয়াখালী অঞ্চলের লঞ্চের রুট ও নামার ঘাট নিশ্চিত করুন। আবহাওয়া এবং ফেরার ব্যবস্থা জেনে যাত্রা করুন।
বাস — পরিবহন: সাকুরা, হানিফ, গ্রীন লাইন। আনুমানিক ভাড়া: নন-এসি ৳৭০০–৯০০, এসি ৳১,২০০–১,৮০০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳২,০০০–৪,০০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
কুয়াকাটায় সাধারণ হোটেল থেকে রিসোর্ট—বিভিন্ন ধরনের আবাসন আছে। সৈকত থেকে দূরত্ব দেখে বুক করুন।
আবাসনের খোঁজে: সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাস, হোটেল গ্রেভার ইন, পর্যটন হলিডে হোমস, অনেক বাজেট হোটেল। বুকিংয়ের আগে প্রাপ্যতা ও ভাড়া নিশ্চিত করুন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে সামুদ্রিক মাছ ও কাঁকড়া ফ্রাই, রাখাইন খাবার।


সৈকত ও দ্বীপকুয়াকাটার বালুকাতট থেকে দিনের শুরু ও শেষের সমুদ্রদৃশ্য দেখার সুযোগ মেলে।
গাইড দেখুন ↗গঙ্গামতির উপকূলে সূর্যোদয়, ঝাউবন ও কাঁকড়ার আবাস দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗উপকূলীয় বন ও নদীমোহনার প্রকৃতি ফাতরার চর এলাকার আকর্ষণ।
গাইড দেখুন ↗রাখাইন জনপদের বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্য ও মূর্তিশিল্প মিশ্রিপাড়ায় দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗নদী ও সমুদ্রের সংযোগ এলাকার চরে দিনের শেষ আলো দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।