লেক ও নদীপদ্মা গার্ডেন ও টি-বাঁধ
পদ্মার পাড়ে হাঁটা ও নদীর দৃশ্য উপভোগের জায়গা গার্ডেন ও টি-বাঁধ।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী জেলার ভ্রমণ খাতা।
রাজশাহী ভ্রমণে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, পদ্মা গার্ডেন ও টি-বাঁধ, পুঠিয়া মন্দির কমপ্লেক্স দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
রাজশাহীর পুরোনো পরিচয়ের মধ্যে রামপুর বোয়ালিয়া উল্লেখযোগ্য। ‘রাজা’ ও ‘শাহী’ শব্দ মিলিয়ে বর্তমান নামটির ব্যাখ্যা করা হয়।
২৫০ কিমি
৫–৬ ঘণ্টা
বাস: গাবতলী থেকে রাজশাহী যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
ট্রেন: জেলার কোন স্টেশনে নামবেন এবং সেখান থেকে গন্তব্যের দূরত্ব দেখে চলতি ট্রেনের টিকিট কাটুন।
বিমান: রাজশাহী বিমানবন্দর ব্যবহার করে এরপর সড়কপথে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। ফ্লাইটের প্রাপ্যতা ও ভাড়া বুকিংয়ের সময় যাচাই করুন।
বাস — পরিবহন: হানিফ, গ্রীন লাইন, দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল। আনুমানিক ভাড়া: নন-এসি ৳৬৫০–৮০০, এসি ৳১,২০০–১,৬০০।
ট্রেন — পরিবহন: সিল্কসিটি, পদ্মা, ধূমকেতু, বনলতা। আনুমানিক ভাড়া: ৳৩৫০–১,১০০।
বিমান — পরিবহন: বিমান, ইউএস-বাংলা। আনুমানিক ভাড়া: ৳৩,৫০০–৫,৫০০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,৫০০–৩,০০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
রাজশাহী শহরের হোটেল বা পর্যটন মোটেলে থাকতে পারেন।
আবাসনের খোঁজে: পর্যটন মোটেল রাজশাহী, হোটেল এক্স রাজশাহী। বুকিংয়ের আগে প্রাপ্যতা ও ভাড়া নিশ্চিত করুন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে কালাই রুটি, আম , রাজশাহীর সিল্ক শাড়ি।



লেক ও নদীপদ্মার পাড়ে হাঁটা ও নদীর দৃশ্য উপভোগের জায়গা গার্ডেন ও টি-বাঁধ।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যরাজবাড়ি ও বিভিন্ন মন্দিরের অলংকরণ নিয়ে পুঠিয়ার ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণ।
গাইড দেখুন ↗
স্মৃতি ও জাদুঘরবরেন্দ্র অঞ্চলের প্রত্নবস্তু ও ভাস্কর্যসংগ্রহ নিয়ে গবেষণা জাদুঘরটি গড়ে উঠেছে।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনাপোড়ামাটির অলংকরণসমৃদ্ধ বাঘা মসজিদ সুলতানি স্থাপত্যের একটি পরিচিত নিদর্শন।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনারাজশাহীর ধর্মীয় ইতিহাসে শাহ মখদুমের স্মৃতিস্থানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।