পাহাড় ও ঝরনাগজনী অবকাশ কেন্দ্র
টিলা, জলাশয় ও পর্যবেক্ষণস্থল নিয়ে গজনীর পাহাড়সংলগ্ন অবকাশ প্রাঙ্গণ।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার ভ্রমণ খাতা।
শেরপুর ভ্রমণে গজনী অবকাশ কেন্দ্র, মধুটিলা ইকো পার্ক, ঘাগড়া লস্কর বাড়ি মসজিদ দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
শেরপুরের পুরোনো পরিচয় দশকাহনিয়া বাজু। শের আলী গাজীর নামের সঙ্গে বর্তমান নামটি সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।
১৯০ কিমি
৪.৫–৫ ঘণ্টা
বাস: মহাখালী থেকে শেরপুর যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
বাস — পরিবহন: তুহিন, ড্রিমল্যান্ড। আনুমানিক ভাড়া: ৳৩৫০–৪৫০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,২০০–২,৫০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
গজনীর বাংলোয় পূর্বানুমতি প্রয়োজন; বিকল্প হিসেবে শেরপুর শহরের হোটেল বেছে নিন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে শেরপুরের ছানার পায়েস, তুলসীমালা চাল।


পাহাড় ও ঝরনাটিলা, জলাশয় ও পর্যবেক্ষণস্থল নিয়ে গজনীর পাহাড়সংলগ্ন অবকাশ প্রাঙ্গণ।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনাএক গম্বুজের পুরোনো মসজিদটি শেরপুরের স্থানীয় ধর্মীয় ঐতিহ্যের নিদর্শন।
গাইড দেখুন ↗
বন ও উদ্যানমধুটিলার বন ও টিলার পথ থেকে সীমান্তবর্তী পাহাড়ের পটভূমি দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।