সীমান্ত ও জনপদআখাউড়া স্থলবন্দর
বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার স্থলযোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ আখাউড়া।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভ্রমণ খাতা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভ্রমণে কালভৈরব মন্দির, আরিফাইল মসজিদ, আখাউড়া স্থলবন্দর দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
ব্রাহ্মণ পরিবারের বসতি বা বাড়ি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামটি এসেছে বলে প্রচলিত ধারণা।
১১০ কিমি
২.৫–৩ ঘণ্টা
বাস: সায়েদাবাদ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
ট্রেন: জেলার কোন স্টেশনে নামবেন এবং সেখান থেকে গন্তব্যের দূরত্ব দেখে চলতি ট্রেনের টিকিট কাটুন।
বাস — আনুমানিক ভাড়া: ৳২৫০–৩৫০।
ট্রেন — আনুমানিক ভাড়া: ৳১৫০–৩৫০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,২০০–২,৫০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
জেলা শহরের আবাসিক হোটেলকে ভ্রমণের ভিত্তি করতে পারেন। সরকারি বাংলোতে থাকতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি আগে নিতে হবে।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে ছানামুখী মিষ্টি , তালের বড়া।

সীমান্ত ও জনপদবাংলাদেশ ও ত্রিপুরার স্থলযোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ আখাউড়া।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনাসরাইলের এই পুরোনো মসজিদে ঐতিহাসিক গম্বুজশৈলী দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗
ধর্মীয় স্থাপনাবৃহৎ কালভৈরব মূর্তিকে কেন্দ্র করে এই মন্দিরের পরিচিতি।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।