ধর্মীয় স্থাপনাআতিয়া মসজিদ
পুরোনো দশ টাকার নোটে স্থান পাওয়া আতিয়ার স্থাপত্যে বাংলার মসজিদশৈলীর পরিচয় মেলে।
গাইড দেখুন ↗Bengal Scope / আপনার আবিষ্কারের খাতা
ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল জেলার ভ্রমণ খাতা।
টাঙ্গাইল ভ্রমণে মহেড়া জমিদার বাড়ি, আতিয়া মসজিদ, মধুপুর জাতীয় উদ্যান দেখতে পারেন। এই জেলার জায়গাগুলোর পরিচয়, যাওয়ার পথ ও থাকার তথ্য নিচের গাইডগুলোতে পাবেন।
টাঙ্গাইল নামের ব্যাখ্যায় উঁচু জমির আইল এবং টাঙ্গা গাড়ি—দুই ধরনের মত শোনা যায়।
৯৮ কিমি
২.৫–৩ ঘণ্টা
বাস: মহাখালী থেকে টাঙ্গাইল যাওয়ার বাসের খোঁজ নিন। নির্দিষ্ট গন্তব্য ও নামার স্টপ কাউন্টারে মিলিয়ে নিন।
ট্রেন: জেলার কোন স্টেশনে নামবেন এবং সেখান থেকে গন্তব্যের দূরত্ব দেখে চলতি ট্রেনের টিকিট কাটুন।
বাস — পরিবহন: নিরালা, ঝটিকা। আনুমানিক ভাড়া: ৳২০০–৩০০।
ট্রেন — আনুমানিক ভাড়া: ৳১৫০–৩৫০।
আনুমানিক দৈনিক বাজেট: জনপ্রতি ৳১,৫০০–৩,০০০। যাতায়াত, আবাসনের মান ও দলের আকারে খরচ বদলাবে।
টাঙ্গাইল শহরের হোটেল অথবা যমুনা সেতুর আশপাশের রিসোর্ট বিবেচনা করতে পারেন।
এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে পোড়াবাড়ির চমচম , মধুপুরের আনারস।



ধর্মীয় স্থাপনাপুরোনো দশ টাকার নোটে স্থান পাওয়া আতিয়ার স্থাপত্যে বাংলার মসজিদশৈলীর পরিচয় মেলে।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যকরটিয়ার জমিদারবাড়ি ও সংলগ্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাকায় ঐতিহ্যের ছাপ রয়েছে।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যনওয়াব আলী চৌধুরীর সঙ্গে যুক্ত ধনবাড়ীর প্রাসাদ ও মসজিদ একটি ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণ।
গাইড দেখুন ↗
বন ও উদ্যানমধুপুরের শালবন ও বনঘেঁষা জনপদ এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিচয় তুলে ধরে।
গাইড দেখুন ↗
ঐতিহ্যমহেড়ার প্রাসাদসমূহে জমিদারি আমলের স্থাপত্য, বাগান ও পুকুর দেখা যায়।
গাইড দেখুন ↗ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।