টাঙ্গাইল জেলা · বন ও উদ্যান

মধুপুর জাতীয় উদ্যান

⌖ ম্যাপ দেখুন

জায়গাটির গল্প

মধুপুরের শালবন ও বনঘেঁষা জনপদ এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিচয় তুলে ধরে।

এক নজরে

আয়তন
প্রায় ৮,৪৩৬ হেক্টর
ঘোষণা
১৯৬২ সালে সংরক্ষিত, ১৯৮২ সালে জাতীয় উদ্যান
বন
শালবন (পত্রঝরা)
জনগোষ্ঠী
গারো ও কোচ

কীভাবে যাবেন

টাঙ্গাইল থেকে মধুপুরে গিয়ে রসুলপুর প্রবেশপথের খোঁজ করুন।

কখন যাবেন

নভেম্বর–মার্চ

কতক্ষণ রাখবেন

এক দিন

আনুমানিক খরচ

প্রবেশ, রাইড বা প্যাকেজের বর্তমান মূল্য কর্তৃপক্ষের কাছে জেনে নিন।

কোথায় থাকবেন

মধুপুরের দোখলা বন বিশ্রামাগারের অনুমতি আগে নিন; ধনবাড়ির আবাসনও খোঁজ নিতে পারেন।

খাবার ও স্থানীয় পণ্য

এলাকার খাবার ও পণ্যের মধ্যে রয়েছে পোড়াবাড়ির চমচম , মধুপুরের আনারস।

যাওয়ার আগে

অনুমোদিত পথ ধরে ঘুরুন। বন্যপ্রাণীকে খাবার দেবেন না, উচ্চ শব্দ এড়িয়ে চলুন এবং অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বাগানে ঢুকবেন না।

আশপাশে আরও

  • ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল (১৫ কিমি)
  • দোখলা রেস্ট হাউস (উদ্যানের ভেতরে)
  • জলছত্র আনারস বাজার (১০ কিমি)

খরচ ও সময় আনুমানিক। যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খোলার সময় মিলিয়ে নিন।

আপনার গন্তব্য

ম্যাপে মধুপুর জাতীয় উদ্যান

Google Maps-এ খুলুন ↗

ম্যাপ লোড না হলে উপরের লিংক থেকে অবস্থান ও যাওয়ার পথ দেখুন।

← অন্য গন্তব্য খুঁজুন